মালদা

কালিয়াচকে তুঁতবাগান থেকে উদ্ধার মহিলার ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ

কালিয়াচকের আলিনগর এলাকার একটি তুঁতবাগান থেকে উদ্ধার এক মহিলার ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ। জানা যায় মৃত ওই মহিলার নাম মমতাজ খাতুন (২২) বাবার বাড়ি ঝাড়খণ্ড রাজ্যের সাহেবগঞ্জ জেলার রাধানগর থানা এলাকায়। তার বিয়ে হয় কালিয়াচকের রাজনগর মডেল ইমরান সেখের সাথে। আজ থেকে প্রায় তিন বছর আগে তাদের বিয়ে হয়েছিল। পরিবার সূত্রে খবর, বিয়ের কিছু দিন ঠিক ছিল সব কিছু এরপর মমতাজ খাতুন এর উপর তার শ্বশুর বাড়ির লোকেরা অত্যাচার চালাত বলে অভিযোগ মেয়ের পরিবারের। জানা যায়, ২৫শে জুন ঈদের দিন মমতাজ খাতুন এর বাবার বাড়ির লোকেরা তাকে ঈদে বাড়ি আসার জন্য নেমন্ত্রন করে। কিন্তু মেয়ে বলে ঈদে না গিয়ে তারপরের দিন সে তার বাবার বাড়ি যাবে। এরপরের দিন মমতাজ খাতুন আর তার স্বামী ইমরান সেখ বাড়ি থেকে এক সাথে বেরাই শ্বশুর বাড়ি যাবার জন্য। মমতাজ বাবার বাড়িতে ফোন করে বলে সে আসছে তাকে যেন পঞ্চানন্দপুর ঘাটে যেন কেউ নিতে আসে। মেয়ে আসবে বলে মমতাজের বাবার বাড়ির লোক এসে ঘাটের কাছে দাড়িয়ে থাকে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা কেটে গেলেও মমতাজ সেখানে আসেনি। তার বাবার বাড়ি থেকে বার বার ফোন করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এমনকি তার জামাইয়ের ফোনেও সুইচ অফ বলে। এরপর মমতাজের বাবার বাড়ির লোক ২৮ তারিখে কালিয়াচক থানায় মেয়ের মিসিং ডাইরি করে। এরপরেও মেয়ের কোন খোঁজ না পাওয়ায় তার বাবা ২৯ তারিখে জামাই ইমরান সেখ, তার দাদা ফিয়ো সেখ ও বৌদি ডলি বিবি, বাবা খাদিরুদ্দিন সেখ, মা আলেকানুর বিবি এই পাঁচ জনের নামে কালিয়াচক থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ার করে। বুধবার তার বাবার বাড়িতে খবর যায় তার মেয়ের মৃতদেহ পাওয়া গেছে একটি তুঁতবাগান থেকে।ঘটনাস্থলে দেখা যায় মেয়েটি অর্ধনগ্ন অবস্থায় পরে রয়েছে। শরীর ক্ষতবিক্ষত। খবর পেয়ে সেখানে এসে মৃতদেহ সনাক্ত করে মৃতের পরিবার।

            মৃতার পরিবারের অভিযোগ তার মেয়েকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। তাদের শাস্তির দাবি জানিয়েছে মৃতার পরিবার।ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ। অভিযুক্ত শ্বশুর বাড়ির লোকেরা পলাতক।